ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী বলেছেন দূর্নীতির শিকর হচ্ছে রাজনৈতিক দূর্বৃত্তায়ন । দূর্নীতি বিরোধী অভিযানে আটক রাজনৈতিক অঙ্গনের কয়েকজনের দূর্নীতি উন্মোচন হওয়ায় রাজনৈতিক দূর্বৃত্তায়নের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। তাই যেকোন মূল্যে রাজনৈতিক দূর্বৃত্তায়ন বন্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক দূর্বৃত্তায়ন বন্ধ করা গেলে আমলাতান্ত্রিক দূর্নীতির পথ রুদ্ধ হবে। ফলে জনগণের কামনা মোতাবেক একটি সূখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে উঠার পথ প্রশস্ত হবে। তিনি মদ, জুয়া ও দূর্নীতি বিরোধী অভিযানকে ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এতে প্রধানমন্ত্রীর দূর্নীতি বিরোধী সদিচ্ছারই প্রতিফলন ঘটেছে। কারণ দেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগে সবচেয়ে বড় বাঁধা বহুমাত্রিক দূর্নীতি। স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে দূর্নীতির মূলোচ্ছেদ অপরিহার্য।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ মাওলানা আতহার আলী রহ. মিলনায়তনে নেজামে ইসলাম পার্টি আয়োজিত ”অপরাধের শিকর মদ-জুয়া-দূর্নীতির মুলোচ্ছেদে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুগ্মমহাসচিব মাওলানা একেএম আশারাফুল হক ও মাওলানা ওবায়দুল হক প্রচার সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা কবির আহমদ, কামালপাশা দোজা ও ইসলামী ছাত্র সমাজের সভাপতি মোঃ নুুজ্জামান প্রমূখ।
মাওলানা নেজামী আরো বলেন, মদ-জুয়াসহ দূর্নীতি দমনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আমজনতার সুর, চিন্তা ও আকাংখা একই হওয়া উচিৎ। কেননা দূর্নীতিবাজরা বিরাট চক্র ও শক্তিমান। রাজনীতি এবং বাইরে সকল সেক্টরেই এরা অবস্থান করছে। তারা নিজস্ব বলয়ভুক্ত একটি বিত্তবানগোষ্ঠী গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন এই অভিযান যদি পরিণতি না পায়, তবে দেশও জাতির জন্যে ভয়ংকর হতে পারে।
তিনি পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে মদ-জুয়া সম্বলিত সকল ক্যাসিনো ও ক্লাব বন্ধ ও দূর্নীতির মূলোৎপাটন নাহওয়া পর্যন্ত এই প্রশংসনীয় অভিযান অব্যাহত প্রক্রিয়া হিসেবে গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন এবং মাদক ও দূর্র্নীতি নিয়ন্ত্রনে কঠোর শাস্তিমূলক আইন প্রনয়ণের দাবি জানা
মাওলানা মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক
