ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বর্ষ বরণের নামে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন গ্রামে-গঞ্জেও ছড়িয়ে দেয়ার সরকারের অশুভ পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বাঙ্গালী সংস্কৃতির সার্বজনীনতার তত্ত্বের আড়ালে এসব বিধর্মীয় মূর্তির শোভাযাত্রা অনুশীলনের জন্যে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ তৌহিদী জনতাকে বাধ্য করার উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়। অমুসলিমদের প্রতীক ও উপমা ব্যবহার করা ইসলামে নিষিদ্ধ। তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি সংখ্যালঘু ধর্ম ও সংস্কৃতির অংশ। মূলতঃ দেব-দেবীকে উদ্দেশ্য করে এসব আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কল্যাণ কামনা করে থাকে। তারা বিভিন্ন প্রতীকের মাধ্যমে পূঁজা প্রার্থণা করেন। ইসলামে এটা হারাম। এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মুসলমানের সংস্কৃতির উৎস ইসলামী জীবন দর্শন ভিত্তিক মূল্যবোধ। স্থানীয় ও লোকজ ঐতিহ্যের উপাদান মুসলিম সংস্কৃতিতেও আছে। কিন্তু এর অবস্থান ইসলামী ঐতিহ্যের সীমানা অতিক্রম করে নয়। আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো কাছে মঙ্গল প্রার্থণা করা ইসলামে নিষিদ্ধ। তিনি বলেন, ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত মঙ্গলশোভাযাত্রা সাম্প্রদায়িক। মঙ্গল শোভাযাত্রা কোন ক্রমেই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জীবনধারার সঙ্গে যুক্ত নয়। কেননা মঙ্গল শোভাযাত্রার সাথে শিরক বা মহান আল্লাহর সাথে অংশীদারিত্বের ধারণা জড়িত। তাই মঙ্গল শোভাযাত্রা সার্বজনীন নয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার উৎসবও নয়। প্রকাশ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভা যাত্রার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তরের রূপনগর-পল্লবীর যৌথ সম্মেলন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর রূপনগর-পল্লবীর যৌথ সম্মেলন গতকাল বিকালে রাজধানীর রূপনরগরস্থ একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওঃ শেখ ফজলে বারী মাসউদ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। রূপনগর থানা সভাপতি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর উত্তর সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা-১৬ আসনে’র প্রার্থী হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর উত্তর অর্থ সম্পাদক এ কে এম নাজমুল হক, পল্লবী থানা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারী আব্দুল গণি, পল্লবী থানা শাখার সেক্রেটারী মাওলানা খলিলুর রহমান প্রমুখ। – প্রেস বিজ্ঞপ্তি
