মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও মানুষের প্রত্যাশা

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ এপ্রিল ৪ দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন। উক্ত সফর বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। এ সফরের মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো উন্নত হবে আমরা আশা করি। বিশেষ করে এদেশের মানুষের বাঁচা মরার প্রশ্ন উজানে অভীন্ন নদীর ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থাপনার দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে সবাই আশা করছে।মানুষের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের তাগিদ দেবেন। ভাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশে নদী মরে গেলে, উজানেও নদী বাঁচবেনা। একথা পৃথিবীর সর্বত্র প্রমানিত হয়েছে। আর নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার একমাত্র উপায় অববাহিকা ভিত্তিক সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা। পরিষ্কার করে আরো বলা দরকার, নেপাল ও পাকিস্তানের সাথে সম্পাদিত চুক্তিতে বিরোধ মিমাংশা ও প্রবাহ নিশ্চিতের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা থাকলেও বাংলাদেশের সাথে সম্পন্ন পানিবন্টন চুক্তিতে তা নেই। আন্তঃনদীসংযোগ শুধু ভারতীয় রাজ্যগুলোর মধ্যেই নয় বাংলাদেশের সাথেও সংঘাত সৃষ্টি করছে। সিলেট তথা বাংলাদেশের মানুষ টিপাইমুখ বাঁধকে মরণফাঁদ মনে করে।
জাতি আশা করে তিস্তাসহ সকল অভিন্ন নদীর প্রবাহ যৌথ-সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় সাগর পর্যন্ত নির্বিঘ্ন করে জীবিত রাখার মাধ্যমে এ অঞ্চলের পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং মানুষের জীবন জীবিকা রক্ষার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর বিরাট ভূমিকা রাখবে। অতিসম্প্রতি জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের পানি কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচিত করায় সমস্যার সমাধানে তাঁর ভূমিকা কাজে লাগবে বলে বাংলাদেশের মানুষ আশা করে।
দ্বিপাক্ষিক ভাবে সমস্যার সমাধান না হলে, সমূদ্র সীমা নির্ধারনে মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়ে সফল হয়েছেন তার প্রয়োগ অভিন্ন নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থেও করবেন বলে এদেশের মানুষ আশা করে।
আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি, নিউ ইয়র্ক
আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি, বাংলাদেশ
যোগাযোগঃ নিউ ইয়র্ক – ০০১৫৫১১২০৬১৭০৭; বাংলাদেশ – ০১৭১১৬৯২১৫০, ০১৭১৩১৮০০০৩।